Blog Archive

Saturday, 5 March 2016

General Rules of PTC sites








PTC sites এর নিয়ম গুলি ভাল ভাবে  জেনে নিনঃ
ক্লিক করুন......।।

https://translate.google.com.bd/translate?hl=bn&sl=en&u=http://earnings-ptc.com/general-rules-of-ptc-sites/&prev=search

and

http://earnings-ptc.com/general-rules-of-ptc-sites/


Friday, 4 March 2016

বাংলার রূপ

বাংলার রূপ

বাংলাদেশ একটি ছোট দক্ষিণ এশিয়ার দেশ. এটা এলাকায় 1,47570 বর্গ কিলোমিটার. এর. উত্তর, পশ্চিম ও পূর্ব অধিকাংশ অংশ ভারত দ্বারা বেষ্টিত করা হয়, পূর্ব দক্ষিণ অংশ মিয়ানমারের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয় এবং বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ হয়. এটা পৃথিবীর নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে অবস্থিত. এটা 16 ডিসেম্বর স্বাধীনতা পেয়েছি, 1971 দেশের জলবায়ু গরম ও আর্দ্র. সাধারণ মানুষের প্রধান পেশা, এখানে কৃষি. কিছু অন্যান্য পেশায় খুব, যেমন সেবা, শিক্ষাদান, কারিগরি ও শিল্প কাজ ইত্যাদি এই দেশের প্রধান আকর্ষণ তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রয়েছে. এটি বিশ্বের, কক্সবাজার সমুদ্র-সৈকত এর দীর্ঘতম সমুদ্র-সৈকত. তিনটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এখানে আছেন: সুন্দরবন, Shat-Gombuj মসজিদ এবং পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ. কিছু সমস্যা সত্ত্বেও বাংলাদেশ খুব সুন্দর দেশ. এই দেশের মানুষ খুব দেশপ্রেমিক সাহসী ও অতিথিপরায়ণ হয়. আমি বাংলাদেশ সম্পর্কে খুব গর্বিত বোধ.



 গ্রীষ্মে, নালা আমরা চরম তাপ জন্য অস্বস্তিকর বোধ, এখনো আমরা এই মৌসুমে মিষ্টি ফল বিভিন্ন ধরণের পেতে. গরম আবহাওয়া একটি দীর্ঘ বানান পর বর্ষাকালে পৃথিবী ঠান্ডা বৃষ্টি দিয়ে আসে. আকাশ দ্বারা বর্ষাকালে প্রায়ই ঘন কালো মেঘ আকাশ পৃথিবী পৃষ্ঠের কাছাকাছি জুড়ে উপর কার্সার রেখে দেখুন সঙ্গে মেঘাচ্ছন্ন থাকে. নিচু জমি পানির নিচে যান এবং জল সুবিশাল শীট মত চেহারা. শরৎ লুকিয়ে খেলা আছে এবং মেঘের মধ্যে আলোচনা করা হয়েছে. একটি শরৎ নিকটবর্তী বেশুমার বড় সঙ্গে খচিত আকাশ অন lookers একটি স্বপ্নরাজ্য উপস্থিত হতে পারে. দেরী শরৎ প্রকৃতির সকালে শিশির ফোঁটা সঙ্গে হাসা. তার সব সুন্দর দর্শনীয় এবং শব্দসমূহ সঙ্গে শীতকালীন বসন্ত পূর্ণ শীতকালীন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সব beauties রাণী করা.




নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় তার নদী বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দৃশ্যগুলো উপস্থিত. বিশেষ করে বর্ষাকালে নদী দর্শনীয় বিভিন্ন, যা আমাদের চোখে বেশ আনন্দ পাচ্ছি একটি আস্ত দৃশ্য উপস্থাপন. আবার দীর্ঘ কক্সবাজারে বঙ্গোপসাগর 
সাগর-সৈকত i



লালবাগের কেল্লা


লালবাগের কেল্লা


লালবাগের কেল্লা বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত প্রাচীন দুর্গ। মোঘল আমলে স্থাপিত এই দুর্গটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটিপুরনো ঢাকার লালবাগে অবস্থিত, আর সে কারণেই এর নাম হয়েছে লালবাগের কেল্লা। এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থল। বর্তমানে (প্রেক্ষিত ২০১২) বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ব বিভাগ এই কেল্লা এলাকার রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে।




লালবাগ কেল্লা মোঘল আমলের বাংলাদেশের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন যাতে একই সাথে ব্যবহার করা হয়েছে কষ্টি পাথর, মার্বেল পাথর আর নানান রঙবেরঙের টালি। লালবাগ কেল্লা ছাড়া আর বাংলাদেশের আর কোন ঐতিহাসিক নিদর্শনে এমন কিছুর সংমিশ্রণ পাওয়া যায়নি আজ পর্যন্ত। প্রথমে এই কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ। আর এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম। মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙগজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান। এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন। তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা


খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন। এই পরী বিবির সাথে শাহজাদা আজম শাহের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়। শায়েস্তা খাঁ দরবার হলে বসে রাজকাজ পরিচালনা করতেন। ১৬৮৮ সালে শায়েস্তা খাঁ অবসর নিয়ে আগ্রা চলে যাবার সময় দুর্গের মালিকানা উত্তরাধিকারীদের দান করে যান। শায়েস্তা খাঁ ঢাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর নানা কারণে লালবাগ দুর্গের গুরুত্ব কমতে থাকে। ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে। এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়। অবশেষে নির্মাণের ৩০০ বছর পর গত শতকের আশির দশকে লালবাগ দুর্গের যথাসম্ভব সংস্কার করে এর আগের রূপ ফিরিয়ে আনা হয় এবং দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এখানকার স্থাপনার অন্তর্গতঃ পরীবিবির সমাধি বেশ উল্লেখযোগ্য। এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। প্রশস্ত এলাকা নিযে লালবাগ কেল্লা অবস্থিত। কেল্লার চত্বরে তিনটি স্থাপনা রয়েছে-
  • কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মাম খানা
  • পরীবিবির সমাধি
  • উত্তর পশ্চিমাংশের শাহী মসজিদ
এছাড়া দক্ষিণ-পূর্বাংশে সুদৃশ্য ফটক, এবং দক্ষিণ দেয়ালের ছাদের উপরে বাগান রয়েছে।[১][২][৩] বর্তমানে রবিবার পূর্ণ দিবস ও সোমবার অর্ধদিবস বন্ধ থাকে। সপ্তাহের বাকী ছয়দিন এই কেল্লা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে।[৪]

লালবাগ কেল্লার দরবার হলের মধ্যকার জাদুঘরের প্রদর্শিত শিলালিপি।

পরীবিবির সমাধি[সম্পাদনা]